বইয়ের রাজ্য

পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর সহজ উপায়

পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায়

মনে করুন একটি মানুষ প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার খায়, কখনোই শারীরিক ব্যায়াম করে না, সারাদিন ঘরে বসে থাকে, টেলিভিশন আর ইন্টারনেট সময় ব্যয় করে। এখন চিন্তা করুন এরকম একটি মানুষ হঠাৎ করে যদি চিন্তা করে কয়েকদিন পর হতে যাবো একটি দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে এবং ওখানে বিজয়ী হয়েও দেখাবে, আপনার কাছে কি মনে হয় সে এমনটি আসলে করতে পারবে ? সে কি আসলেই ওদের সাথে টেক্কা দিতে পারবে যারা প্রতিদিন দৌড়ের প্র্যাকটিস করে। অবশ্যই সে পারবে না। ভালো কোন প্রতিযোগিতা হওয়ার আগে বাছাইপর্ব হয়, যদি কারো ধ্যান ধারণা এবং শারীরিক অবস্থা ওই লোকটির মত হয় সম্ভবত সে মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না। কারণ দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্র্যাকটিস করতে হবে। আপনাকে সব সময় শিখতে হবে। মনোযোগ ধরে রাখাও একটা স্কিল যা বজায় রাখার জন্য আমাদের প্রতিনিয়ত প্র্যাকটিস এবং ট্রেনিং করে যাওয়া উচিত, যেন আমরা আমাদের 100ভাগ মনোযোগ দিয়ে কাজ করে আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারি। তবে আমরা এমন একটা সময় পার করছি যেখানে মনোযোগ ধরে রাখাটা অনেক কঠিন, মনোযোগ নষ্ট করার অনেকগুলো মাধ্যম আছে, খুব কম মানুষই পারে মনোযোগ ধরে রেখে নিজের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করে সফলতা অর্জন করতে। মনে রাখবেন যারাই মনোযোগ ধরে রেখে কাজ ঠিকঠাক ভাবে করতে পারে তারাই জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে। আমি আপনাদেরকে কিছু পয়েন্ট এবং এক্সাম্পল দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করব যেগুলা বুঝে এবং প্র্যাকটিস করে আপনি আপনার মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন । শুরু করার আগে আপনাদেরকে একটা বিষয় জানিয়ে দেয়া প্রয়োজন মনে করছি । তা হচ্ছে মনোযোগ এর মানে কি? যদিও বিষয়টা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি তার পরেও আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। মনোযোগের প্রকৃত মানেটা হচ্ছে “আমাদের সম্পূর্ণ ফোকাস এবং এবং সম্পূর্ণ ধ্যান একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর রাখা এবং ওই সময় অন্য কোন কিছু চিন্তা না করা এবং অন্য কোন কিছু না করা” এই কথাটা সব সময় মনে রাখবেন।

ছোট কিছু দিয়ে শুরু করা

ছোট কিছু দিয়ে শুরু করা

জিম করে সিক্স প্যাক বডি বানানো মোটামুটি সব তরুণের একটি স্বপ্ন। আচ্ছা একবার চিন্তা করুন আপনি মনে মনে ঠিক করলেন জিমে যাবেন সিক্স প্যাক বডি বানাবেন, আপনার এলাকায় সবথেকে ভালো জিমে গেলেন সবথেকে ভালো ট্রেইনার কে হায়ার করলেন এবং ট্রেইনারকে বললেন ভাই আগামী দুই দিনের ভিতর আমি আমার সিক্স প্যাক বডি দেখতে চাই ।এটা কি সম্ভব? এটা কোনভাবেই সম্ভব না। আপনি যেরকম ট্রেইনার ,এক্সপার্ট কে হায়ার করেন না কেন সে আপনাকে প্রথম দিন ছোট ছোট টাস্ক দিবে করার জন্য, ধীরে ধীরে আপনার টাস্ক বাড়বে।কেন সে এমনটি করবে? কারণ একজন ট্রেইনার খুব ভাল করেই জানে ভারী কিছু করার জন্য আপনার শরীর এখনো তৈরি না, এখন আপনি যদি এই কথা শোনার পরেও ট্রেইনার কে প্রেসার করে ভারী এক্সেসাইজ করেন এতে আপনার শরীরের উপকারের জায়গায় ক্ষতি বেশি হবে। এবং এটাও হতে পারে শুরুতেই ভারী এক্সারসাইজ করার কারণে জিমের প্রতি আপনার আগ্রহ হারিয়ে যেতে পারে ।এজন্যই বেস্ট অপশন হচ্ছে আপনি শুরুতেই হালকা কিছু দিয়ে শুরু করুন ধীরে ধীরে লেভেল বাড়িয়ে আপনার স্বপ্নের বডি তৈরি করে নিন। এটাই সঠিক এবং লজিক্যাল উপায় যার সাথে আপনি নিজেও একমত হবেন। এখন মনে করেন কোন একটা মানুষ এসে বলল আমাকে এমন কোন একটা এক্সারসাইজ বলেন যেটা আমি পুরা একদিন খুব মনোযোগ সহকারে করে সিক্স প্যাক বডি বানিয়ে ফেলতে পারব, এরকম মানুষকে আপনি কি বলবেন? কিভাবে মনোযোগ বাড়ানো যায় এই বিষয়টা উপলব্ধি করেছেন বলেই আপনি আর্টিকেলটি পড়ছেন এখন আপনি যদি চিন্তা করেন কিছু আর্টিকেল পড়ে কিছু ভিডিও দেখে কালকে থেকে পুরা মনোযোগ সহকারে কাজকর্ম করা শুরু করবেন বাস্তবে এটি আসলে সম্ভব না। কেন? কারণ মনোযোগ ধরে রাখা একটা স্কিল যা আপনাকে ধীরে ধীরে শিখতে হবে। যদি আপনি সত্যিই মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে চান তাহলে আপনি শুরুতেই নর্মাল জিনিস এবং ছোট ছোট বিষয়গুলোতে মনোযোগ ধরে রাখার প্র্যাকটিস করুন। উদাহরণস্বরূপ এখন আপনি আর্টিকেলটি পড়ছেন আপনি আপনার পুরা মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়া শেষ করুন যতক্ষণ পর্যন্ত না আর্টিকেলটি পড়া শেষ হবে ততক্ষণ পর্যন্ত অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তাভাবনা করা বন্ধ করে রাখুন। কোন কিছুতেই নিজের মনোযোগ না হারিয়ে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়া আপনার জন্য একটা ছোট্ট এক্সেসাইজ হবে আপনার মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য। এবং চেষ্টা করুন এই আর্টিকেল পড়ার পরে যে কাজটি করবেন সে কাজটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে করার, হতে পারে সেটা আপনার রেগুলার কোন কাজ। নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন, এখন থেকে যে কাজটি করবেন সেই কাজটি নিজের সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শেষ করবেন। শুরুতেই ছোট ছোট বিষয় দিয়ে শুরু করতে পারেন অন্তত পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও। আস্তে আস্তে সময়টা বাড়াতে পারেন নিজের সাথে নিজে প্রতিজ্ঞা করুন কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করার সময় অন্তত পাঁচ মিনিট সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে শুধু ওই বিষয়টা নিয়ে ভাববেন, যখনই আপনি অনুভব করবেন আপনি পাঁচ মিনিট মনোযোগ সহকারে কোন কাজ অথবা পড়াশুনা বা কোনো চিন্তা-ভাবনা করতে পারছেন ধীরে ধীরে সময়টা বাড়িয়ে নিন। মনে রাখবেন এই এক্সেসাইজ আপনি আপনার প্রতিদিনকার কাজকর্মের সাথে করতে থাকবেন । আপনি যদি ছোট ছোট কাজে মনোযোগ ধরে রাখা শিখে যান তাহলে একটা সময় অবশ্যই আপনি অনেকক্ষণ ধরে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ ধরে রেখে কাজ করতে পারবেন।

ইচ্ছাশক্তি

ইচ্ছাশক্তি

ওয়াল্টার মিশেল একজন সাইকোলজিস্ট ছিলেন যিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে একটি এক্সপেরিমেন্ট করেছিলেন যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। এক্সপেরিমেন্টটি ছিল, তিনি ৪-৫ বছরের কিছু বাচ্চাকে একটি রুমে বসালেন এবং তাদের সামনে কিছু চকলেট রেখে দিলেন। বাচ্চাদেরকে বলা হয়েছিল তোমরা যদি চকলেট এখনই খেতে চাও খেতে পারো তবে তোমরা যদি 15 মিনিট অপেক্ষা করতে পারো তাহলে আমি বাইরে থেকে এসে তোমাদেরকে একটি চকলেট এর পরিবর্তে দুইটি করে চকলেট দিব। এ কথা বলে উনি রুম থেকে চলে গেলেন। বাচ্চাদের জন্য চকলেট অনেক প্রিয় একটি খাবার প্রত্যেকটি বাচ্চার পক্ষেই তাদের প্রিয় খাবারের জন্য 15 মিনিট অপেক্ষা করা অনেক কষ্টের। আর সেজন্য রেজাল্ট ঐরকমই এসেছিল প্রতি তিনজন বাচ্চার মধ্যে দুইজন 15 মিনিটের অনেক আগেই তাদের জন্য নির্ধারিত চকলেট খেয়ে ফেলেছিলো। এর মানেটা দাঁড়ালো তিনজন বাচ্চার মধ্যে একজন বাচ্চার ইচ্ছাশক্তি অনেক স্ট্রং ছিল, যে তারা 15 মিনিট অপেক্ষা করতে পেরেছিল যথারীতি ফলস্বরূপ তারা একটি চকলেট এর পরিবর্তে দুইটি করে চকলেট পেয়েছিল। এক্সপেরিমেন্টের মূল রেজাল্ট কিন্তু এটা ছিল না এক্সপেরিমেন্টের মূল রেজাল্ট দেখা গিয়েছিল পনের ষোল বছর পরে যা কিছুটা এরকম ছিল। যে বাচ্চাগুলো 15 মিনিট অপেক্ষা না করে চকলেট খেয়ে ফেলেছিল তাদের পারফরম্যান্স এবং লাইফ খারাপ যাচ্ছিল সবদিক থেকে। অন্যদিকে যে বাচ্চারা 15 মিনিট নিজেদেরকে কন্ট্রোল করতে পেরেছিল যাদের ভিতরে ইচ্ছা শক্তি ছিল তাদের লাইফ সবদিক থেকে পারফেক্ট চলতেছিল। এই উদাহরণ থেকে আমরা বুঝতে পারি ইচ্ছাশক্তি আমাদের জীবনে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, মনোযোগ ধরে রাখার জন্য ইচ্ছাশক্তি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সফলতা অর্জন করার জন্য মনোযোগ ধরে রেখে কাজ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা সবাই জানি, এখনকার সময় আমাদেরকে অমনোযোগী করে দেয়ার অনেক মাধ্যম আছে। আমরা যদি আমাদের জীবনে সাফল্য অর্জন করতে চাই তাহলে অবশ্যই মনোযোগ ধরে রেখে নিজেদের কাজটা করে যেতে হবে। আর এই জন্যেই ইচ্ছা শক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। এখন আমি আপনাদেরকে একটি এক্সেসাইজ বলবো যা আপনাকে আপনার ইচ্ছা শক্তি বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে।

  1. এক্সেসাইজটি করতে আপনি একটি নির্দিষ্ট টাইম ঠিক করুন।সময়টা অবশ্যই এমন ভাবে ঠিক করতে হবে যেন ওই নির্দিষ্ট সময়ে আপনি কাজটি প্রতিদিন করতে পারেন।
  2. দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো আপনি একটি রুমে ঢুকুন যেখানে আপনাকে কেউ বিরক্ত করবে না।
  3. পাঁচ মিনিট ধরে অন্য কোন কিছু না করে অন্য কোন চিন্তা না করে দরজার হাতলের দিকে তাকিয়ে থাকুন ।

নিশ্চয়ই কথাগুলো শুনতে আপনার কাছে অনেক অবাক লাগছে। করতে গেলে আরও অবাক লাগবে।কিন্তু সত্যি কথা বলতে এই সাধারন জিনিসটাই আপনার ইচ্ছে শক্তি বাড়াতে আপনাকে অনেক বেশী সাহায্য করবে।

৪. আপনাকে একটি খাতায় লিখতে হবে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল।

ঠিক এই জিনিসটাই আপনাকে পাঁচ ছয় দিন টানা করতে হবে, প্রথমদিকে মনে হবে সময় যাচ্ছে না,কিন্তু আস্তে আস্তে আপনার নিজের উপর আপনার ইচ্ছা শক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ দেখতে পাবেন। ওই 5 মিনিটে আপনার করা ছোট ছোট বিষয়গুলো বিস্তারিত লিখে রাখাটা আপনাকে অনেক লাভবান করবে, অন্তত একবার এই স্টেপ গুলো ফলো করে দেখতে পারেন।

নিয়ন্ত্রণ

নিয়ন্ত্রণ

জীবনের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিজের মাইন্ড এবং শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা।এগুলোকে নিজের মতো করে নিজের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবহার করা।যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি এই দুটি বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ না নিয়ে আসতে পারবেন ততক্ষন পর্যন্ত অন্য কোন বিষয়ের উপর পূর্ণ মনোযোগী হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। প্রথমে আমরা ব্রেইন নিয়ে কথা বলি। ওই মানুষটা কখনোই নিজের ব্রেইন এর উপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেনা যে নিজের ইমোশনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ।উদাহরণস্বরূপ: আপনি দেখে থাকবেন কোন মানুষ যখন রেগে যায় তখন তার নিজের উপরে কোন নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। রাগের সময় সে যে কোন কিছু বলে দিতে পারে এবং যে কোন কিছু করে ফেলতে পারে। এটা শুধু রেগে থাকলে হবে বিষয়টা এমন না অনেক সময় মানুষ অনেক খুশি থাকলেও এগুলো করতে পারে। এজন্যই নিজের ইমোশনকে নিয়ন্ত্রণ রাখাটা অনেক জরুরী । যদি আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে অলমোস্ট সবকিছু অর্জন করার ক্ষমতা আপনি রাখেন। যদি আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে আপনার ব্রেনের উপরেও একটা খারাপ ইফেক্ট পড়বে। সুতরাং মনোযোগ ধরে রাখার জন্য নিজের লক্ষ্য অর্জন করার জন্য শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শরীর ভালো রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের বিকল্প নেই।

মেডিটেশন

মেডিটেশন

মেডিটেশনের অনেক উপকার এর ভিতর একটি হচ্ছে মেডিটেশন করার মাধ্যমে আপনার ফোকাস এবং মনোযোগী হওয়ার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। নরমালি মেডিটেশন করার সময় মানুষের পুরা ফোকাস নিঃশ্বাসের উপর থাকে। যা মানুষকে পারদর্শী করে তোলে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর মনোযোগ ধরে রাখার। সুতরাং মনোযোগী হতে মেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আপনি প্রতিদিন করতে পারেন। মেডিটেশন আপনার ব্রেইনকে রিলাক্স করবে যা নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার ইমোশনকে। যখন ইমোশন কন্ট্রোল থাকবে তখন আপনার বডি কন্ট্রোলে থাকবে। বডি কন্ট্রোল থাকলে আপনার মাইন্ড কন্ট্রোল থাকবে। যদি মাইন্ড কন্ট্রোলে থাকে তাহলে আপনি কোন বিষয়ের উপর পূর্ণ মনোযোগী হতে পারবেন। আপনার নিজের উপরে আপনার যত নিয়ন্ত্রণ থাকবে ততবেশি সুযোগ থাকবে জীবনে সফল হওয়ার।

এই বিষয়গুলি আমি আপনাদেরকে “দা পাওয়ার অফ কন্সেন্ট্রেশন” বই থেকে বলেছি বইটি সত্যিই অনেক দারুন।বিষয়গুলি আমি আপনাদেরকে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করেছি যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে বইটি পড়তে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Bengali BN English EN Hindi HI